মালয়েশিয়ায় রিলোকেশন ৫ - লাইফস্টাইল টিপস


08 Apr 2019 malaysia

প্রিয় পাঠক, এই পোস্টে চলে আসায় ধরে নিচ্ছি আপনারা সুন্দরমত মালয়েশিয়ায় চলে এসেছেন। এই পর্বে আপনাদের জন্য কিছু লাইফ স্টাইল টিপস নিয়ে লিখব। আশা করি আপনাদের সেগুলা কাজে লাগবে।

মাল্টি এনট্রি ভিসা ও ট্যাক্স ফাইল

মনে আছে এয়ারপোর্টের ইমিগ্রেশনের কথা? মালয়েশিয়ায় আপনি ঢুকেছেন সিংগেল এনট্রি পাস দিয়ে। এরপর আপনাকে দু সপ্তাহের মাঝে (কমবেশী হতে পারে) অবশ্যই পুত্রাজায়ার ইমিগ্রেশন অফিস থেকে পাসপোর্টে ১ বছর (বা বেশী) মেয়াদী মাল্টি এন্ট্রি ভিসা স্ট্যাম্পিং করে নিতে হবে। নইলে মালয়েশিয়া থেকে বের হওয়ার সময় বা পুনরায় ঢোকার সময় আপনি অবৈধ হিসেবে গণ্য হবেন। সাধারণত অফিসের HR রাই এই কাজগুলো করে থাকে। সুতরাং তাদের সাথে যোগাযোগ করে আপনার ও ডিপেন্ডেন্ট সবার পাসপোর্টে স্ট্যাম্পিং করে নিন। আরেকটা বিষয় হল ট্যাক্স। ৩৫০০ রিংগিতের উপরে (প্রায় ৭০০০০ টাকা) বেতন হলে ট্যাক্স বাধ্যতামূলক। এখানে ট্যাক্স ফাইল করতে হয় LHDN এর মাধ্যমে। আপনার অফিসের HR এর মাধ্যমে ট্যাক্স ফাইল খুলুন এবং আপনার রেফারেন্স নম্বর ও SG নম্বর সংরক্ষণ করুন। সেই সাথে প্রতি মাসে পে-স্লিপ বুঝে নিতে ভুলবেন না। পরবর্তীতে আপনার স্যালারীর ২৮% কাটা এমাউন্ট ফেরত পেতে এই কাগজগুলো প্রয়োজন হবে।

বাসা ভাড়া নেওয়া

এখানে এসে আপনার প্রথম কাজ হবে বাসা ভাড়া নেওয়া। বাসা ভাড়া নিতে এই সাইটগুলায় ঢুঁ মারতে পারেন।

বাসা ভাড়া নেওয়ার সময় কিছু ক্যাটাগরি দেখবেন। সবচেয়ে জনপ্রিয় হল স্টুডিও, সার্ভিস রেসিডেন্ট এবং (ফার্নিশড/সেমিফার্নিশড/ননফার্নিশড) ফ্ল্যাট।

বাসা ভাড়া নেওয়ার সময় সাধারণত ২-৩ মাসের এডভান্সড দিতে হয়, সাথে ১২ মাসের চুক্তি। অনেকসময় মুলামুলি করতলে ৬ মাসের চুক্তিতে আসতে পারেন। চুক্তির আগে বাসা বদলালে আপনি এডভান্সের টাকা ফেরত পাবেন না। সুতরাং বুঝেশুনে চুক্তি করুন। বাসা ভাড়ার সাথে পার্কিং, অন্যান্য সার্ভিস চার্জ (লিফট, সুইমিং পুল, জিম, ইত্যাদি) যুক্ত কিনা জেনে নিন। ইউটিলিটি বিল আপনি নাকি বাড়িওয়ালা দিবে সেটাও ক্লিয়ার করে নিন।

বাসা ভাড়া নেওয়ার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, কাছাকাছি MRT বা LRT স্টেশনের কাছে ভাড়া নেওয়া। তাহলে আপনি খুব সহজে কম সময়ে বাসা থেকে ট্রেন/বাসে উঠতে পারবেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরের প্যারায় বলছি।

যাতায়াত ব্যাবস্থা

যাতায়াতের দিক দিয়ে মালয়েশিয়ার রাস্তাঘাট, ট্রেইন লাইন বেশ উন্নত। এখানে প্রতিটা ট্রেইন স্টেশনের সাথে বাস স্টপেজ আছে। আবার প্রতিটা ট্রেন রুটের সাথে কানেক্টিং রুটও আছে। সুতরাং আপনার বাসা কুয়ালালুমপুর, বাংসার, কেলানা জায়া, টিটিডিআই, চেরাস, বুকিতবিংতাং, মন্ট কিয়ারা, দামানসারা ইত্যাদি যেখানেই হোক, আপনি খুব সহজে কানেক্টিং রুট ধরে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে পারবেন।

এখানে ট্রেইন খুবই জনপ্রিয়। ট্রেনগুলা অটোমেটেড এবং মূলত তিনরকমের।

কোন ট্রেন কই যায় তা জানতে নিচের লিংকে ক্লিক করে নেটওয়ার্ক ম্যাপ ডাউনলোড করে নিন।

কুয়ালালুমপুর ট্রানজিট ম্যাপ ডাউনলোড

সাধারণত ট্রেনগুলায় ভ্রমণ করতে আপনি স্টেশনে গিয়ে টোকেন কিনে নিতে পারেন। টোকেন কেনা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। বিকল্প হিসেবে আপনি Touch ‘n Go কার্ড কিনে নিতে পারেন ও তাতে সুবিধামত ব্যালান্স এড করে নিতে পারেন। এটা একরকম NFC কার্ড। স্টেশনে ঢোকার বা বের হবার সময় টাচ করেই ঢুকতে বা বের হতে পারবেন। তাছাড়া TnG কার্ড ইউজ করলে আপনার ভাড়াও কিছুটা কম পড়বে।

ট্রেন ছাড়াও বাস ইউজ করতে পারেন। অনেক স্টেশন থেকে কিছু রুটে ফ্রি শাটল বাসও আছে। Moovit এপ দিয়ে জেনে নিতে পারবেন কোন বাস কখন কই থেকে ছাড়ে। সাধারণত বেশীরভাগ বাসই ৩০ মিনিট পরপর বা ১ ঘন্টা পরপর একই রুটে সার্কুলার হয়ে ঘুরে (হাতিরঝিলের মত)। সাম্প্রতিক নিউজ অনুযায়ী বাসে আপনি আর ক্যাশ বা কয়েন ইউজ করতে পারবেন না। এজন্য আপনাকে TnG কার্ড ইউজ করতে হবে। বাসে চড়ার পর কার্ড ড্রাইভারের পাশের মেশিনে সোয়াইপ করে ঢুকবেন। স্টপেজ আসলে ড্রাইভার বাসের শেষের দিকের গেট খুলে দিবে। সেখানকার মেশিনে কার্ড সোয়াইপ করে বের হয়ে যাবেন। আর বাসে উঠার আগে জেনে নিবেন যে কোন কোন স্টপেজে বাস থামে। নইলে আপনি যতই চেচামেচি করেন, ড্রাইভার যেখানে সেখানে বাস থামাবেনা। তবে সাধারণত ১-২ কিমি পরপর রুটেই বাসগুলার স্টপেজ রয়েছে।

নামাজের ব্যাবস্থা

মালয়েশিয়ায় প্রতিটা অফিস, শপিং মল, রেস্টুরেন্ট, হাসপাতাল, স্টেশন ইত্যাদিতে বা কাছাকাছি জায়গায় পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে। মসজিদকে এখানে সুরাউ (Surau) বলা হয়।

সিম কার্ড কেনা

মালয়েশিয়ায় মোবাইল অপারেটরগুলাতেই প্রত্যেকেই মাসে ৩০ রিংগিতের প্যাকেজ রিনিউ করতে হয়। বাংলাদেশের মত একবার রিচার্জ করলে ৬ মাস-১ বছর ভ্যালিডিটি ফ্রি এমন নয়। এমনকি বিল পে না করলে ১ মাস পর আপনি কোনরকম কল রিসিভ করতে পারবেন না। তবে এখানে অপারেটরগুলা ৩০ রিংগিতের বিনিময়ে আনলিমিটেড ইন্টারনেট, আনলিমিটেড {ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, হোয়াটসআপ, ইমো, ইউটিউব, আইফ্লিক্স} ইত্যাদি, সেম অপারেটরে আনলিমিটেড মেসেজ ও কলিং ইত্যাদি সুবিধা দিয়ে থাকে। সিমকার্ড কেনার সময় শুধু ফিচার না দেখে কলিগ ও প্রতিবেশীদের কাছে জেনে নিতে পারেন আপনার অফিসও বাসায় কাছে কোন অপারেটরের নেটওয়ার্ক ভাল থাকে। কেননা শুধু ফিচার নয়, নেটওয়ার্ক ভাল থাকাও জরুরী। ব্যাক্তিগতভাবে আমি UMobile আর Maxis সাজেস্ট করব। অপারেটরদের তুলনামূলক বিশ্লেষণ দেখতে এই পোস্টটি পড়ে দেখতে পারেন - Which Is The Best Mobile Plan In Malaysia?

ইন্টারনেট কানেকশন

এখানে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার খুব কম। সরকারী কোম্পানি Time, Unifi আর Maxis ই মূলত টপ আইএসপি হিসেবে পরিচিত। টাইম এর ১০০, ৫০০ ও ১০০০ এমবিপিএস সার্ভিস রয়েছে। সার্ভিস চার্জ ৯৯ রিংগিত/মাস থেকে শুরু। তবে যে কানেকশনই নিন না কেন, আপনাকে ৩০০ রিংগিত নন-রেসিডেন্ট-ডিপোজিট হিসেবে প্রথম মাসে জমা দিতে হবে। সাথে মিনিমাম ১২ মাসের কনট্রাক্ট তো আছেই। এর আগে কনট্রাক্ট ক্যানসেল করলে ৩০০-৫০০ রিংগিত জরিমানা দিতে হবে। আর প্যাকেজের দামের সাথে মাস শেষে ৬% ট্যাক্স যুক্ত হবে। আমার মতে ব্যাচেলর হলে Unifi বা Maxis পোর্টেবল ডিভাইস আর ফ্যামিলি (৩+ ইউজার) হলে Time ব্রডব্যান্ড নেওয়াই ভাল হবে। আর হ্যা, যদি অপটিক ফাইবার দিয়ে আপনার কানেকশন দেওয়া হয়, তাহলে কিছু কেবল খরচ আপনাকে পরিশোধ করতে হবে। এটা নির্ভর করছে আপনার বাসা থেকে নিকটস্থ অপটিক ফাইবার টার্মিনাল কতদূরে অবস্থিত সেটার উপর।

টিভি সার্ভিস

এদেশে ইন্টারনেটের মত টিভি প্রোভাইডারও খুব লিমিটেড। মূলত Astro-ই সকল স্যাটেলাইট ডিশ, ডিভিআর, আইপিটিভি ইত্যাদি সেবা দেয়। এদের প্যাকেজে কিডজ, ইন্ডিয়ান, স্পোর্টস, ইসলামিক, মুভি ইত্যাদি ক্যাটাগরি সিলেক্ট করার অপশন রয়েছে। ডিশ নিতে চাইলে স্যাটেলাইট ও PVR এর জন্য খরচ দিতে হবে। সেই সাথে কনট্রাক্ট তো আছেই। বিকল্প হিসেবে Netflix অথবা Iflix ব্যাবহার করতে পারেন। মাসিক ১০-৫০ রিংগিতের মত খরচ পড়বে।

বাজার সদাই

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বাজার করার জন্য মালয়েশিয়া জুড়ে Tesco , HeroMarket, Giant ইত্যাদির চেইনশপ পাবেন। এরা মূলত আমাদের দেশের স্বপ্ন, মীনাবাজারের মতই। অনলাইনেও অর্ডার করে দিতে পারবেন এদের ওয়েবসাইট থেকে। খোঁজাখুজি করলে আপনার আশেপাশে দেশী দোকানও পেয়ে যেতে পারেন। সেখান থেকে দেশী মাছ, মুরগী, মাংস, মসলা, সবজি ইত্যাদি সহজেই কিনতে পারবেন।

যারা প্রথমবার বাজার করবেন, তাদের জন্য একটা সহজ লিস্ট করে দিচ্ছি। লিস্টটা মূলত আমি বহুদিন ধরে ব্যাবহার করে আসছি। এসব জিনিস যেকোন ফ্যামিলির জন্য খুবই কমন।

আর হ্যা, এখানে পলিথিন ব্যাবহার নিরুৎসাহিত করার জন্য প্রতি পলিথিনে ২০ সেন (প্রায় ৪ টাকা) দাম রাখা হয়। শপিং করার পর ক্যাশিয়ার আপনাকে বলবে “Plastic?” অর্থাৎ আপনি জিনিসপত্র পলিথিনে নিবেন নাকি নিজস্ব ব্যাগে নিবেন তা জানতে চাইবে। এজন্য নিজস্ব ব্যাগ নিয়ে যাওয়া ভাল হবে।

খাবার পানি

মালয়েশিয়ায় PureIT এর মত সহজ সলুশন আমি খুঁজে পাইনি। এখানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সলুশন রয়েছে যার সেটআপ খরচ ৫০০-৩৫০০ রিংগিতের মত, কিছু ক্ষেত্রে তার চেয়েও বেশী। অল ইন ওয়ান ওয়াটার ফিল্টার (কেমিক্যাল মুক্ত করে) ও পিউরিফায়ার (জীবাণুমুক্ত করে) এর মাঝে Coway, Cuckoo ইত্যাদি বেশ জনপ্রিয়।

একটু কম খরচের মাঝে নিতে চাইলে প্রচুর ডিসট্রিবিউটর পাবেন যারা আপনাকে সুবিধামত ৬ লিটার, ১০ লিটার বা ১৯ লিটারের RO Water (রিভার্স অসমোসিস) বোতল হোম ডেলিভারী দিয়ে যাবে। খরচ পড়বে প্রতি বোতল ৬-১২ রিংগিতের মত। এসব ক্ষেত্রে এসব প্রোভাইডারদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন- Compeer, Kazoku, Jantzen, HappyWater, Spritzer, The Water Filter, JuzWater ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

ব্যাংক একাউন্ট

মালয়েশিয়া থাকবেন, টাকাটুকা রাখার তো জায়গা লাগবে নাকি? আপনার ব্যাংক একাউন্টের জন্য রেকমেন্ডেশন অবশ্য আপনার অফিস থেকেই দিয়ে দিবে। আপনাকে শুধু কষ্ট করে ব্যাংকে যেতে হবে, পাসপোর্ট, অফার লেটার ও রেকমেন্ডেশন লেটার সহ। এজন্য আপনার পাসপোর্টে মাল্টিএন্ট্রি ভিসার স্টিকার থাকতে হবে। অনেক ব্যাংকে একাউন্ট খোলার সময় মিনিমাম ডিপোজিট করতে হয়। এটা ২৫০ রিংগিত বা কমবেশী হতে পারে। আবার আপনার ভিসা নাকি মাস্টারকার্ড প্রয়োজন সেটাও এপ্লিকেশন করার সময় আলোচনা করে নিতে পারেন। একাউন্ট খোলার পর অনলাইন ব্যাংকিং, ওভারসি ট্রানজাকশন (ডুয়াল কারেন্সি এনাবল করা) ইত্যাদি ঠিকমত বুঝে পেলেন কিনা চেক করে নিন। এখানে সহজেই শরীয়াহ ভিত্তিক একাউন্ট করতে পারবেন। শুধু একাউন্ট খেলার সময় ইসলামিক ব্যাংকিং অপশনে টিক দিলেই হবে। অনেক সময় ব্যাংক থেকে আপনাকে ক্রেডিট কার্ডের জন্য এপ্লাই করতে বলতে পারে। আমি সাজেস্ট করব মিনিমাম ৬ মাস স্যালারী পাবার পর এপ্লাই করতে। কেননা ফিনানশিয়াল হিস্টোরী ভাল না থাকলে আপনি ক্রেডিট কার্ড পাবেন না। আর একবার এপ্লিকেশন রিজেক্টেড হলে পরেরবার কার্ড পাবার সম্ভাবনা কমে যায়।

রেস্টুরেন্টে খাওয়া

মালয়েশিয়ায় প্রচুর রেস্টুরেন্ট পাবেন, তবে রেস্টুরেন্টে যাবার পূর্বে হালাল কিনা তা চেক করে নিতে পারেন। সাধারণত মালয়েশিয়ান, ইন্ডিয়ান, এরাবিয়ান, টার্কিশ ইত্যাদি রেস্টুরেন্টগুলা হালাল খাবারই সার্ভ করে। কিছু হালাল কোরিয়ান, চায়নিজ রেস্টুরেন্টও পাবেন খুঁজলে। নিচের লোকাল খাবার গুলা ট্রাই করে দেখতে পারেন।

এছাড়াও ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানি, ইরানী রেস্টুরেন্টগুলায় বিরিনয়ানী ট্রাই করতে পারেন। এরাবিক রেস্টুরেন্টে ম্যান্ডি রাইস/চিকেন, শর্মা ইত্যাদি খেতে পারেন। তাছাড়া KFC তে চিকেন ফ্রাই, স্পাইসি চিকেন পাওয়া যাবে। Pizza Hut, Domino’s থেকে কাস্টমাইজড পিজা অর্ডার করতে পারেন।

সলিড খাবারের পাশাপাশি এই ড্রিংকসগুলাও আপনাদের ভাল লাগবে আশাকরি।

ভাল কথা, এখানে প্রায় পানীয়তেই বরফ দেওয়া হয়। আপনি যদি বরফ না পছন্দ করেন, তাহলে ড্রিংকস নেওয়ার সময় বলে দিতে হবে।

অনলাইন শপিং

অনলাইন শপিং করতে কে না ভালবাসে? মালয়েশিয়ায় খুবই জনপ্রিয় অনলাইন শপিং প্লাটফর্মের মাঝে আছে Lazada, Shopee, Lelong, IKEA ইত্যাদি। তবে কেনাকাটা করার সময় প্রোডাক্টের রিভিউ, ডিমেনশন (দৈর্ঘ, প্রস্থ ও উচ্চতা), স্টোরের রেটিং ইত্যাদি দেখে নেওয়া ভাল হবে।

পাঠাও, উবার, ফুডপান্ডা

জ্বি, আমাদের মাঝে কেও কেও আছে যারা এত অলস যে কষ্ট করে রেস্টুরেন্টে না গিয়ে বাসায় বসেই অর্ডার করে খাবার পেতে চাই, তাইনা? এখানে ওইসব অলসদের জন্য রয়েছে GrabFood, FoodPanda, KFC Online, PizzaHut, Dominos ইত্যাদি। আর গাড়ি বুকিং এর জন্য Grab তো আছেই।

আরো টিপস

যদিও এসব নিয়মকানুন এলাকাভিত্তিতে ও মানুষ টু মানুষ কমবেশী হয়, তবুও নিচের নিয়মগুলা পাবলিক প্লেসে (ট্রেন, বাস, অফিসে) মেনে চলতে পারেন।

আশা করি আপনাদের মালয়েশিয়ায় বসবাস শান্তিপূর্ণ হোক। আপনাদের যেকোন মতামত আমাকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। সেই সাথে আপনাদের অভিজ্ঞতাও শেয়ার করতে পারেন যেন অন্যেরা উপকৃত হয়। আল্লাহ সকলের মঙ্গল করুক। আমীন।